বিদ্যালয়ের ইতিহাস

পটভূমি: ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন হরিষকূল একটি জনবহুল গ্রাম। এখানে বহু দেশ বরেণ্য জ্ঞানী ও গুণী জন্ম গ্রহণ করেছেন। গ্রামে  প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। প্রতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অনেক ছাত্র-ছাত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জনের জন্য কোন স্কুলে ভর্তির সুযোগ পেতনা। কেননা গ্রামে কোন মাধ্যমিক স্কুল ছিল না। বেগম উচ্চ বিদ্যালয় নবাবগঞ্জ  থেকে ৪ কি.মি. দূরে অবস্থিত। কোন যানবাহন ছিলনা এবং রাস্তাঘাট ছিল কাচা ও জঙ্গলায় ভর্তি। ফলে গ্রামটি ধীরে ধীরে অশিক্ষার অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে থাকে। গ্রামের শিক্ষার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে  শিক্ষানুরাগী দানবীর বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.এস. আলম পোখরাজ ১৯৯৭ সালে গ্রামে একটি জুনিয়র হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। গ্রামের কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি তাকে সাহয়তা করেন ।  শ্রেণি কক্ষ নির্মাণ করা হয় এবং পরবর্তি সময়ে নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের পাঠ দান শুরু করা হয়। ২০১৮ সালে স্কুলটি মাধ্যমিকে উন্নীত করা হয় ।  বর্তমানে ছয় শতাধিক এর উপরে ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন করছে।  পরীক্ষায় প্রতি বছরই প্রায় শতভাগ ছাত্র-ছাত্রী কৃতিত্বের সাথে পাশ করে। পাশের হার শতকরা ৮০ ভাগের নীচে কখন ও নেমে আসেনি। লেখা-পড়ার পাশাপাশি খেলা-ধুলায় ও স্কুলটির সুনাম রয়েছে।  শিক্ষকরা এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এলাকাটি শিক্ষা-দীক্ষায় পিছিয়ে থাকার কারণে ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকেরা শিক্ষা সচেতন নয়। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পড়া-লেখায় মনোযোগি করতে শিক্ষকদের অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়। স্কুলটি ম্যনেজিং কমিটির মাধ্যমে সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।